Breaking News
Home / News / জন্মের ৫ মিনিট পরেই শিশু বললো করোনা থেকে মুক্তির উপায়, গুজবে তুলকালাম

জন্মের ৫ মিনিট পরেই শিশু বললো করোনা থেকে মুক্তির উপায়, গুজবে তুলকালাম

জন্মের ৫ মিনিট পরেই শিশু বললো করোনা থেকে মুক্তির উপায়, গুজবে তুলকালামঃ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস নিয়ে বর্তমানে বিশ্বব্যাপি সকলেই রয়েছে আতঙ্কের মধ্যে। এর ই মাঝে করোনা ভাইরাস নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে দেশব্যাপি।

গতকাল ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধার পর থেকে এ গুজব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের প্রায় সব এলাকায়। খবর নিয়ে জানা যায় দেশের সকল এলাকাতেই এই গুজব নিয়ে হৈচৈ শুরুে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুকে এই গুজব ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপকভাবে।

বলা হচ্ছে , একশিশু জন্মের ৫ মিনিট পর ই সে বলেছে আদা,লং,গোলমরিচ ও কালোজিরা নিয়ে চা বানিয়ে খেলে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস হবে না। বলা হচ্ছে শিশুটি একথা বলার পর ই মারা যায়। কেউ বলছে শিশুটি ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেছে আবার কেউ বলছে পঞ্চগড়,লালমনিরহাট,বগুড়াতে ।

গুজবটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুকে এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা,সমালোচনা। খবর নিয়ে জানা যায় গুজবটি ছড়িয়ে পরার পর অনেক এলাকায় এই গুজব সত্য মনে করে আদা,লং, গোলমরিচ ও কালোজিরা দিয়ে চা বানিয়ে বা রস তৈরি করে খাওয়ার হিড়িক পরে গেছে।

ফেজবুকে এটা শুনে অনেকেই এই ভাবে চা তৈরি করে খাওয়ার কথা বলছেন। আবার অনেকেই এটাকে মানছেন না বলছেন এটা গুজব এটা মিথ্যা, এটা বিশ্বাস করা যাবে না।

ফেসবুকে একটি পেজে একজন লিখেছেন।  “করোনাভাইরাস নিয়ে নতুন গুজব” জন্মের ৫ মিনিট পর এক শিশু বলেছে আদা, লং, গোলমরিচ ও কালোজিরা দিয়ে চা বানিয়ে খেলে মরণঘাতী করোনাভাইরাস হবে না। এ কথা বলার পরপরই শিশুটি মারা যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে এমন কথা ছড়িয়ে পড়েছে উত্তরের বিভিন্ন এলাকায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়েছে এ কথা। এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা হৈচৈ। কেউ বলছেন শিশুটি বগুড়ায় জন্ম নিয়েছে, আবার কেউ বলছেন রংপুরে, কেউবা বলেছেন নীলফামারী-লালমনিরহাটের কথা।
এটা গুজব। মিথ্যাচার। এগুলো ঠিক নয়। এভাবেই গুজব ছড়ানো হয়। মানুষদের বোকা বানানো হয়। এসব গুজবে কান না দিয়ে নিজে সচেতন হন অন্যকে সচেতন করুন।”

এ ছাড়া অনেকেই ফেসবুকে এই গুজব ছড়াচ্ছেন। পাশাপাশি অনেকে এর তীব্র সমালোচনাও করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *