Breaking News

রাজারবাগে কোয়ারেনটাইনে থাকা পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে কোয়ারেনটাইনে থাকা এক পুলিশ সদস্য মারা গেছেন।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে পুলিশ লাইন্সের হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সোমবার (২০ এপ্রিল) ওই পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাশি থাকায় কয়েকদিন আগে কোয়ারেনটাইনে নেওয়া হয় ওই কনস্টেবলকে। তবে তার শরীরের নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মৃত ওই ব্যক্তির ডায়াবেটিস ও হৃদরোগজনিত সমস্যা ছিল। তাকে ৭ থেকে ৮ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। দিন পাঁচেক আগে তার করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে।

মফিজ উদ্দিন বলেন, “সোমবার সকালের দিকে সে অসুস্থবোধ করায়, তাকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।”

মৃত ওই পুলিশ সদস্যের আবারও নমুনা সংগ্রহ করার পর আবারও নমুনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে। মরদেহটি তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আক্রান্ত ৫২ জন পুলিশ সদস্য রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ মর্যাদার। তিনি সুস্থ হওয়ার পথে।

আক্রান্ত বাকিদের অধিকাংশই কনস্টেবল। আর এদের বড় অংশ ঢাকা মহানগর পুলিশে কর্মরত।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। এছাড়া রাস্তায় জীবাণুনাশক ছিটানো, শ্রমজীবী মানুষকে সহায়তা করা, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া এবং কোয়ারেন্টিন থেকে পালানো ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার কাজ করছেন তাঁরা। পর্যাপ্ত পরিমাণ সুরক্ষাসামগ্রী না থাকায় দায়িত্ব পালনের সময় ‘অসাবধানতাবশত’ সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে এসে তাঁদের মধ্যে এই সংক্রমণ হচ্ছে।

One comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *